বিনোদন

বিয়ে করে টেরই পাচ্ছেন না নিতিন

লকডাউনের জুলাইয়ে বিয়ে করে ফেলেন তেলেগু তারকা নিতিন রেড্ডি আর শালিনী কান্দুকুরি। লকডাউন অনেক কিছু আটকে রাখলেও আটকাতে পারেনি এই জুটির প্রেমের পরিণতি। আট মাস পর নিতিন তাঁদের বিবাহিত জীবন নিয়ে দিয়েছেন এক দীর্ঘ সাক্ষাৎকার। ডেকান ক্রনিকলকে তিনি জানিয়েছেন, বিয়ে যে হয়েছে এটা নাকি টেরই পাচ্ছেন না নিতিন।

বিয়ের পর কেমন পরিবর্তন এসেছে জীবনে? এর উত্তরে নিতিন বলেন, ‘লকডাউনে হুড়মুড় করে বিয়ে করে ফেললাম। আর কীভাবে কীভাবে যেন আট মাস পেরিয়েও গেল। কী পার্থক্য? ‘আগের মতোই। তবে আমি এখন আরও বেশি সুখি। লকডাউনে প্রচুর খেয়েছি। শালিনী আর আমি ওয়েব সিরিজ, সিনেমা, টিভি শো দেখতে দেখতে পাগল হয়ে গেছি।’ বিয়ে করে কেমন লাগছে? ‘জানি না…বিয়ে যে করেছি, এটাই তো মনে হচ্ছে না।’

‘আগেও কাজ শেষে বাড়ি ফিরে গল্প করতাম, এখনো তাই করি। তবে আগে কথা বলতাম ফোনে, আর এখন সামনাসামনি। আলাদা করে বিয়ের পর জীবন বদলে গেছে—এমন কিছুই মনে হচ্ছে না। আমাকে যে তেলেগু ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি “লাভার বয়” বলে চেনে, এটা মানতেই নারাজ শালিনী।’

বিয়ের পর নিতিন

কেন?—এর উত্তরে ৩৭ বছর বয়সী এই দক্ষিণ ভারতীয় তারকা বলেন, ‘আমরা যে আহামরি রোমান্টিক কিছু করি, তা কিন্তু নয়। একসঙ্গে থাকি, খাই, গল্প করি। আগেও কাজ শেষে বাড়ি ফিরে গল্প করতাম, এখনো তাই করি। তবে আগে কথা বলতাম ফোনে, আর এখন সামনাসামনি। আমাদের তো অনেক বছরের চেনাজানা। সম্পর্কটা কাউকে গড়তে হয়নি। নিজে নিজে হয়েছে। এখানে অনেক ভালোবাসা, বিশ্বাস আর স্থিতি আছে। তাই আলাদা করে বিয়ের পর জীবন বদলে গেছে—এমন কিছুই মনে হচ্ছে না। আমাকে যে তেলেগু ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি “লাভার বয়” বলে চেনে, এটা মানতেই নারাজ শালিনী।
স্ত্রীর সবচেয়ে ভালো গুণ জানতে চাইলে নিতিন বলেন, ‘ওর সবচেয়ে ভালো ব্যাপার হলো, ও সবাইকে সমান চোখে দেখে। আর কাউকে অন্য কারও পাল্লায় মাপে না। মানুষকে সহজেই বোঝে।’ শালিনী নিতিনের সিনেমা দেখেন কি না, জানতে চাইলে এই তারকা বলেন, ‘মাঝেমধ্যে দেখে। তেমন কিছু বলে না এ নিয়ে।’ সামনেই মুক্তি পাবে নিতিনের ‘রং দে’। এই ছবিতে তাঁকে দেখা যাবে কীর্তি সুরেশের সঙ্গে। সিনেমা নিয়ে বললেন, ‘“রং দে” একেবারেই প্রেমের গল্প। এখানে আমি কীর্তি সুরেশকে বিয়ে করি। তারপর সম্পর্কে জটিলতা শুরু হয়।’
নিতিন বড় পর্দায় তাঁর ক্যারিয়ার শুরু করেন ২০০২ সালে ‘জায়াম’ সিনেমার মধ্য দিয়ে। ‘দিল’, ‘শ্রী আনজানেয়াম’, ‘তাক্কারি’, ‘সিথারামুলা কল্যানাম’, ‘ভিক্টরি’, ‘ইশক’, ‘চিন্নাদাম নি কোসাম’, ‘আ আ’, ‘লাই’ প্রভৃতি সিনেমার মাধ্যমে তিনি দক্ষিণ ভারতের শীর্ষ তারকাদের একজন হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। নিতিনকে সর্বশেষ দেখা গেছে ২০২০ সালের ‘ভিসমা’ ছবিতে। এরপর তাঁকে দেখা যাবে ‘রং দে’ ও চন্দ্র শেখর ইলেতির পরিচালনায় আরেকটি ছবিতে। শালিনী এমবিএ শেষ করে পেশায় একটি মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির মানবসম্পদ বিভাগের ব্যবস্থাপক। ২০২০ সালের ২৬ জুলাই বিয়ের পিঁড়িতে বসেন এই জুটি।

সম্পর্কিত

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Back to top button